Tuesday, Jan 20, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

Economy

অর্থনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিতে রূপ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া

রাজধানীর এক নাগরিক শোকসভায় ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। নব্বইয়ের দশকে তাঁর বাজারমুখী নীতি, ভ্যাট প্রবর্তন ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠন বেসরকারি খাতে গতি আনে। বিশেষ করে ওষুধ ও পোশাক শিল্পের প্রসারে তাঁর নেওয়া পদক্ষেপ দেশীয় উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখে। সভায় বিশিষ্টজনরা খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব, নৈতিক মূল্যবোধ এবং দেশের উন্নয়নে তাঁর ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন।

NP
Published: January 20, 2026, 08:04 AM
অর্থনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিতে রূপ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া

অর্থনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিতে রূপ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এক নাগরিক শোকসভায় ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও ও আইসিসি বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য সিমিন রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে খালেদা জিয়ার অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। গত শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় তিনি উল্লেখ করেন যে, নব্বইয়ের দশকে প্রবর্তিত বাজারমুখী নীতিমালার মাধ্যমেই দেশের বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগে প্রকৃত গতি সঞ্চারিত হয়েছিল। খালেদা জিয়ার সময়কালীন ভ্যাট পলিসি, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠান গঠনের ফলে দেশের অর্থনীতি একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি লাভ করেছিল বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সিমিন রহমান তার বক্তব্যে তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পের বিকাশে খালেদা জিয়ার দূরদর্শী ভূমিকার কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের ওষুধ মূল্য নীতিকে তিনি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন, যার ফলে আজ বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান যে, খালেদা জিয়া সবসময় নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালনার ওপর জোর দিতেন। নিজের বাবা ও ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের কর্মজীবনেও তিনি খালেদা জিয়ার এই নৈতিক ব্যবসায়িক প্রেরণার প্রতিফলন দেখেছেন বলে উল্লেখ করেন।

রাজধানীর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই শোকসভায় দেশের শীর্ষ রাজনীতিক, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে বক্তারা খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার সাহস ও দেশপ্রেম বাংলাদেশের ইতিহাসে তাকে অমর করে রাখবে এবং তার প্রবর্তিত অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো আগামীতেও দেশের অগ্রযাত্রায় পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। অনুষ্ঠানটির শেষ পর্যায়ে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ খালেদা জিয়ার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট সম্পাদক, শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা এই নাগরিক শোকসভায় অংশ নিয়ে মরহুমার কর্মময় জীবনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিভিন্ন বিশিষ্টজনের স্মারক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

সিমিন রহমান তার বক্তব্যে তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পের বিকাশে খালেদা জিয়ার দূরদর্শী ভূমিকার কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের ওষুধ মূল্য নীতিকে তিনি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন, যার ফলে আজ বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান যে, খালেদা জিয়া সবসময় নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালনার ওপর জোর দিতেন। নিজের বাবা ও ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের কর্মজীবনেও তিনি খালেদা জিয়ার এই নৈতিক ব্যবসায়িক প্রেরণার প্রতিফলন দেখেছেন বলে উল্লেখ করেন।

রাজধানীর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই শোকসভায় দেশের শীর্ষ রাজনীতিক, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে বক্তারা খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার সাহস ও দেশপ্রেম বাংলাদেশের ইতিহাসে তাকে অমর করে রাখবে এবং তার প্রবর্তিত অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো আগামীতেও দেশের অগ্রযাত্রায় পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানটির শেষ পর্যায়ে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ খালেদা জিয়ার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট সম্পাদক, শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা এই নাগরিক শোকসভায় অংশ নিয়ে মরহুমার কর্মময় জীবনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিভিন্ন বিশিষ্টজনের স্মারক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।