Tuesday, Jan 20, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

General

উত্তরা অগ্নিকাণ্ড: ময়মনসিংহের নিহত ৩ জনকে পাশাপাশি দাফন

ঢাকার উত্তরায় ছয়তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তিনজনকে নিজ গ্রামে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত তিনজন হলেন ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের দড়িপাঁচাশি গ্রামের হারেছ উদ্দিন (৪৭), তার ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) এবং ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫)।হারেছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে তারা মৃত্যুর খবর পান।স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হানিফ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদে...

NP
Published: January 20, 2026, 08:04 AM
উত্তরা অগ্নিকাণ্ড: ময়মনসিংহের নিহত ৩ জনকে পাশাপাশি দাফন

ঢাকার উত্তরায় ছয়তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তিনজনকে নিজ গ্রামে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত তিনজন হলেন ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের দড়িপাঁচাশি গ্রামের হারেছ উদ্দিন (৪৭), তার ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) এবং ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫)।

হারেছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে তারা মৃত্যুর খবর পান।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হানিফ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয়। রাত ১০টার দিকে জানাজা শেষে দড়িপাঁচাশি গ্রামে দারুর রহমান হাফিজিয়া মাদ্রাসা–সংলগ্ন মসজিদের পাশে তাঁদের পাশাপাশি দাফন করা হয়। এমন ঘটনা এলাকায় আগে ঘটেনি বলে তিনি জানান।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দুই ভাই হারেছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম ১৯৯৪ সালে কাজের সন্ধানে ঢাকায় যান। তারা উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন এবং জমজম এলাকায় ফলের ব্যবসা করতেন।

শুক্রবার সকালে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে হারেছ উদ্দিন, তার ছেলে রাহাব এবং ভাতিজি রোদেলা মারা যান। রাহাব ছিল উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী এবং রোদেলা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত।

হারেছের সাবেক কর্মচারী মনির হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় হারেছের স্ত্রী তিন বছরের ছেলে আরহানকে নিয়ে মিরপুরে ছিলেন। শহীদুলের স্ত্রী সকালে ছেলেকে নিয়ে বাইরে বের হন এবং শহীদুল নিজে দোকানে ছিলেন। বাসায় থাকা তিনজনই প্রাণ হারান।

এলাকাবাসী জানান, দুই ভাই এলাকার গরিব ও অসহায় মানুষদের নিয়মিত সহায়তা করতেন। তাদের অকাল মৃত্যু সহজে মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা।