Wednesday, Feb 25, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

General

উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই র‍্যাবের জন্য ১৬৩ যানবাহন কেনার অনুমোদন

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) জন্য উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১৬৩টি যানবাহন কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফওজুল কবির খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, এসব যানবাহনের মধ্যে থাকবে তিনটি জিপ, ১০০টি প্যাট্রোল পিকআপ ও ৬০টি মাইক্রোবাস।ব্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,...

NP
Published: January 28, 2026, 09:21 PM
উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই র‍্যাবের জন্য ১৬৩ যানবাহন কেনার অনুমোদন

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) জন্য উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১৬৩টি যানবাহন কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফওজুল কবির খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। 

তিনি জানান, এসব যানবাহনের মধ্যে থাকবে তিনটি জিপ, ১০০টি প্যাট্রোল পিকআপ ও ৬০টি মাইক্রোবাস।

ব্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কমিটি কেবল নীতিগতভাবে ক্রয় পদ্ধতির অনুমোদন দিয়েছে। ক্রয় কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই মোট ব্যয়ের পরিমাণ জানা যাবে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশে ও বিদেশে র‍্যাব যখন ধারাবাহিকভাবে সমালোচনার মুখে, সেই সময়েই এ সিদ্ধান্ত এলো। 

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জোরপূর্বক গুম তদন্ত কমিশনও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এছাড়া নিউইয়র্কভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিভিন্ন মহল র‍্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বাহিনীটি বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছে। 

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে এসে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে।

দরপত্র ছাড়াই ক্রয়ের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমরা সরকারি টাকাকে সরকারের মধ্যেই রাখছি।'

তিনি জানান, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের প্রথম যানবাহন উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। সে কারণেই এই প্রতিষ্ঠান থেকেই যানবাহন কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে র‍্যাব বাস্তবায়নাধীন এবং সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত 'র‍্যাব বাহিনীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি (প্রথম সংশোধিত)' প্রকল্পের আওতায় এসব যানবাহন কেনা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যানবাহনের ঘাটতি পূরণ এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাবের সক্ষমতা বাড়াতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এসব যানবাহন প্রয়োজন।

উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি অনুসরণ করলে সময় বেশি লাগবে বলে জরুরি প্রয়োজনের যুক্তিতে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এগোনোর অনুমোদন চাওয়া হয়।

নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ বিভাগ প্রস্তাবিত ক্রয়ে সম্মতি দিয়েছে এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত কমিটি নীতিগত অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।