Wednesday, Feb 25, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

General

ওপেন কোর্ট শুনানিতেও ট্রাইব্যুনালে প্রবেশে সাংবাদিকদের বাধা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর একটি শুনানিতে আজ সোমবার সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।গুমের ঘটনার একটি মামলায় শুনানিকালে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। গুম করে টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় আসামি ১৭ জন। আদালত সাময়িক বিরতি দেওয়ার ঠিক আগে প্রসিকিউটররা নিরাপত্তার কারণে এক সাক্ষীর সাক্ষ্য কক্ষে (ইন ক্যামেরা) রেকর্ড করার অনুমতি চেয়েছিলেন।আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বরাতে জানা যায়, বিচারক মোহিতুল হক আনাম চৌধুরী পরে উভয়পক্ষকে জানান, ট...

NP
Published: February 04, 2026, 05:00 AM
ওপেন কোর্ট শুনানিতেও ট্রাইব্যুনালে প্রবেশে সাংবাদিকদের বাধা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর একটি শুনানিতে আজ সোমবার সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।

গুমের ঘটনার একটি মামলায় শুনানিকালে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। গুম করে টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় আসামি ১৭ জন। 

আদালত সাময়িক বিরতি দেওয়ার ঠিক আগে প্রসিকিউটররা নিরাপত্তার কারণে এক সাক্ষীর সাক্ষ্য কক্ষে (ইন ক্যামেরা) রেকর্ড করার অনুমতি চেয়েছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বরাতে জানা যায়, বিচারক মোহিতুল হক আনাম চৌধুরী পরে উভয়পক্ষকে জানান, ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান অনুরোধটি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বিচার চলবে ওপেন কোর্টে।

তারপরও সাংবাদিকদের কোর্টরুমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আদালতে প্রবেশের সময় নিরাপত্তাকর্মীরা সাংবাদিকদের বাধা দিয়ে বলেন, তারা প্রসিকিউশনের নির্দেশে এ কাজ করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদালতের একজন কর্মী বলেন, প্রসিকিউশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোর্টরুমে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ কি না, জানতে চাইলে প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হ্যাঁ'।

আদালতে ইন ক্যামেরা চলছে না, তাহলে কীভাবে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটি সাক্ষীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য।

এরপর মাহদী প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিমকে জিজ্ঞেস করেন, সাংবাদিকরা কোর্টরুমে প্রবেশ করতে পারবে কি না। মনোয়ার হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।

শুনানি শেষে আবার মনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আদালতে ইন ক্যামেরা না চললেও সাংবাদিকদের কেন কোর্টরুমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি? জবাবে তিনি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ তদন্ত সংস্থার সদস্যদেরও কোর্টরুম থেকে বের হতে বলা হয়েছিল।

প্রসিকিউশন এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুরুতে আমি মনে করেছিলাম, ইন ক্যামেরা ট্রায়ালের আবেদনটি অনুমোদন পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি যখন সকালে আদালত থেকে বের হই, চেয়ারম্যান আদালতে বলেছিলেন, আবেদনটি অনুমোদন হয়েছে। সাক্ষী দ্বিতীয়ার্ধে ইন ক্যামেরা সাক্ষ্য দেবেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তাবারক হোসেন ভূঁইয়া দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ইন ক্যামেরা কার্যক্রমের আবেদনটি অনুমোদন করেননি।