Tuesday, Jan 20, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

General

১ কোটি ৭০ লাখ টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, রাঙ্গার বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে এক কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।অভিযোগ উঠেছিল, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে রাঙ্গা ঘুষ নিয়েছিলেন।রাঙ্গা ও পনিরের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আজ সোমবার জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।সূত্রমতে, পনির উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে ক...

NP
Published: January 20, 2026, 08:04 AM
১ কোটি ৭০ লাখ টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, রাঙ্গার বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে এক কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগ উঠেছিল, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে রাঙ্গা ঘুষ নিয়েছিলেন।

রাঙ্গা ও পনিরের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আজ সোমবার জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

সূত্রমতে, পনির উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকলেও মসিউর রহমান রাঙ্গা এক কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। প্রকৃতপক্ষে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি ওই অর্থ নিয়েছিলেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, পনির উদ্দিন আহমেদ এম/এস জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি ও হক স্পেশাল (পরিবহন প্রতিষ্ঠান) নামে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম শাখায় পনির উদ্দিন আহমেদের হক স্পেশাল হিসাব থেকে ব্যাংকটির রংপুর শাখায় মসিউর রহমান রাঙ্গার হিসাবে ২০ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

এছাড়া, ২০১৮ সালের নভেম্বরে সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে চার কিস্তিতে দেড় কোটি টাকা রাঙ্গার সোনালী ব্যাংক সংসদ ভবন শাখার হিসাবে জমা দেন পনির।

পরবর্তীতে ওই লেনদেনের তথ্য আড়াল করার চেষ্টা হয়, যা দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫ ও ১০৯ ধারা; দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়েছে, উঠে আসে তদন্তে।

দুদক মহাপরিচালক বলেন, 'তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'