Wednesday, Feb 25, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

General

‘হ্যাকিংয়ের’ প্রতিবাদ জানাতে বঙ্গভবনে যাবে জামায়াত

বঙ্গভবনের ই-মেইল ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করে নারী বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে জামায়াত।এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ও বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে যাবে বলে জানিয়েছে দলটি।জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বিকেল ৪টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বঙ্গভবনে যাবে।জামায়াতের আমিরের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুই...

NP
Published: February 04, 2026, 05:00 AM
‘হ্যাকিংয়ের’ প্রতিবাদ জানাতে বঙ্গভবনে যাবে জামায়াত

বঙ্গভবনের ই-মেইল ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করে নারী বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে জামায়াত।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ও বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে যাবে বলে জানিয়েছে দলটি।

জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বিকেল ৪টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বঙ্গভবনে যাবে।

জামায়াতের আমিরের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে গত শনিবার বিকেলে একটি পোস্ট করা হয়। এতে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে 'অসম্মানজনক' মন্তব্য থাকায় শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে। নারী নেতৃত্ব সম্পর্কে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পোস্টে বলা হয়, নারীর নেতৃত্ব আল্লাহ অনুমোদন করেন না এবং জামায়াতে নারীদের নেতৃত্বে আসার কোনো সুযোগ নেই।

পোস্টের শুরুতে বলা হয়, নারী ইস্যুতে জামায়াতের অবস্থান বিভ্রান্তিকর বা দুঃখিত হওয়ার মতো নয়, বরং নীতিগত। এতে উল্লেখ করা হয়, নারীদের নেতৃত্বে আসা উচিত নয়। জামায়াতে এটা অসম্ভব। আল্লাহ এটার অনুমতি দেননি।

সেখানে বলা হয়, আধুনিকতার নামে নারীদের ঘর থেকে বের করে আনার ফলে তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েন। এর পর ওই বাক্যেই কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিজনক মন্তব্য করা হয়।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক মাধ্যমের অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং নারীদের পণ্যায়ন উন্নতির লক্ষণ নয়, বরং নৈতিক ধসের লক্ষণ। শেষে বলা হয়, অনৈতিকতা যতই আধুনিক বা ফ্যাশনেবল হোক না কেন, এর সঙ্গে আপস নয়।