লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
সংঘর্ষের পর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সদরের চন্দ্রগঞ্জ থানায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোর্শেদ আলম শুক্রবার সকালে দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, 'ভোটারদের কাছে আইডি কার্ড চাওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই পক্ষই বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৩টার দিকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।'
'বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে,' বলেন তিনি।
এ ঘটনার পর জামায়াত ও বিএনপি একে অপরকে দায়ী করে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা জামায়াতের আমির নুর মোহাম্মদ রাসেল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'জামায়াতের নারী প্রতিনিধিরা বিএনপি নেতা বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে ভোট চাইতে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা ভোটারদের আইডি কার্ড চেয়েছিলেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।'
তিনি অভিযোগ করেন, 'একপর্যায়ে যুবদল ও বিএনপির কর্মীরা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়, এতে আমাদের ৭ জন আহত হন। আমরা বৃহস্পতিবার রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আহতরা বর্তমানে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।'
এ ঘটনার পর গতকাল রাতে বিএনপি নেতা ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি হাসপাতালে গিয়ে আহত সবার খোঁজ নেন। তিনি প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানান।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে ঘটনাটি যেখানে ঘটেছে সেখানেই শেষ হওয়া উচিত। এটিকে আর বাড়তে দেওয়া যাবে না।'
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক বলেন, 'আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ যাচাই শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'