Friday, Jan 16, 2026 28°C

Concise and comprehensive global coverage.

General

উত্তরায় ভবনে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৬

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বরে সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে আগুনে অন্তত ছয়জন মারা গেছেন। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।ওসি রফিক আহমেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন হাসপাতালে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ছয়জনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি।মৃতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন ফজলে রাব্বি, তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার, তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান, হারেস ও তার ছেলে রাহাব। আজ শুক্রবার সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কন্ট্...

NP
Published: January 16, 2026, 05:07 PM
উত্তরায় ভবনে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৬

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বরে সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে আগুনে অন্তত ছয়জন মারা গেছেন। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি রফিক আহমেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন হাসপাতালে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ছয়জনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি।

মৃতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন ফজলে রাব্বি, তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার, তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান, হারেস ও তার ছেলে রাহাব। 

আজ শুক্রবার সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কে একটি সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। উত্তরা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভায়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই ভবন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত আফরোজার মামাতো ভাই মো. আবু সাইদ জানান, ফজলে রাব্বির বাড়ি কুমিল্লা সদর উপজেলার নানুয়া দিঘিরপাড়। তিনি ওষুধ প্রস্তুতকারক এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে কর্মরত। আর তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ। তাদের দুই ছেলে ফাইয়াজ ও রাফসান।

তিনি জানান, স্বামী-স্ত্রী দুজনই কর্মজীবী হওয়ায় তাদের দুই ছেলেই উত্তরাতেই নানির বাসায় থাকত। আজ শুক্রবার অফিস বন্ধের দিন হওয়ায় গতরাতেই তারা ছোট ছেলেকে নানির বাসা থেকে  নিয়ে আসে। এরপর আজ সকালে ওই বাসায় আগুনের সংবাদ পান স্বজনরা। পরে হাসপাতালে তাদের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

আফরোজার বোন আফরিন জাহান জানান, আফরোজাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের বাকি দুজনের মরদেহ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।  

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, আফরোজাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে তার শরীরে কোনো পোড়া ক্ষত নেই। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সংবাদ জানার সঙ্গে সঙ্গে স্বজনরা মরদেহ আবার উত্তরায় নিয়ে চলে যান।